বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণশীলতা প্রসংগে

 বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণশীলতা প্রসংগে 

বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণশীলতার কারণে পদার্থ বিজ্ঞান এবং তার সূত্রাবলী বর্তমানে স্থিতিশীলবস্থায় বিদ্যমান যার ফলশ্রুতিতে সম্ভবপর হয়ে স্থায়ী তাত্তিক পদার্থ বিজ্ঞান রচনা যার উপর ভিত্তিশীল আজকের সুপ্রতিষ্ঠিত মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্ব।

অসম্ভবঃ সাধারণসূত্রে বস্তু কণা যত দ্রুত গতি লাভ করবে তত ভারী হয়ে উঠবে, তাই বস্ত্ত কণা আলোর গতির উর্ধ্বে চলা অসম্ভব।অসীম বিশেষসূত্রে অসীম শক্তি প্রয়োগে ‌কেবল সম্ভব বস্তুকণার আলোর গতির উর্ধ্বে চলা । অসীম শক্তির উৎস যে অসীমত্ব তা বার বার নাড়া দিচ্ছে বিজ্ঞান মনস্কতায়। কিন্ত্ত বিজ্ঞানীর এটা একটা সাধারণ নীতি যে, কোনো প্রকার অসীমত্বে জড়াতে বিজ্ঞান অনিচ্ছুক, অপ্রস্ত্তত। অসীমত্বকে বিজ্ঞান অর্থহীন মনে করে। যেমন অসম্ভব মনে করে বস্ত্তকণার আলোর গতি ছাড়িয়ে যাবার বিষয়ে। অর্থাৎ অসীম শক্তি প্রয়োগ হলে পর বস্ত্তকণা আলোর গতি ছাড়িয়ে যেতে পারে। অসীম শক্তির কল্পনাকে বিজ্ঞান অর্থহীন মনে করে বিধায় বস্তুকণা কখনও অালোর গতি ছাড়িয়ে যাওয়াকে অসম্ভব মনে করে থাকেন।

উপরোক্ত বর্ণনায় এটা স্পষ্ট যে, বিজ্ঞানে রয়েছে বিশেষ যে সংরক্ষণবাদ তা হচ্ছে (ক) অসীমের ধারণা অর্থহীন। যদিও প্রত্যেক বিষয় বার বার যে মূলে পৌছে সে মূলটি হচ্ছে অসীমত্ব। উদাহরণস্বরূপঃ বিজ্ঞানে বিগ ব্যাংয়ের উৎসমূলে রয়েছে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন। হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন এর উৎসমূল রয়েছে অসীমত্বে। যাতে যেতে বিজ্ঞান রাজি নয়। তাই পদার্থ বিজ্ঞান হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন ধারণায় থেমে আছে। যদিও বিজ্ঞান মানে সামনে এগিয়ে যাওয়া।

প্রযুক্তি যত দ্রুত আগাচ্ছে বিজ্ঞান তার চাইতে ঢের বেশি পেচাচ্ছে। ফলে বিশ্ব প্রকৃতিতে বিজ্ঞানের জানার হার দাড়াচ্ছে বড়জোর ৪ থেকে ৫ শতাংশ। বাকী ৯৫/৯৬ শতাংশ অজানা থেকে যাচ্ছে অজানা ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটার, রহস্যময় মহাকর্ষ বল আর আকাশ কুসুম কল্পনার গ্র্যাভিটন আর ব্ল্যাকহোলের ঘটনা দিগন্তে অজানা ঘটনাবলীর অন্তরালে।

বিজ্ঞানের সংরক্ষণবাদী নীতির কারণে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে সার্ণ কর্তৃক অন্ততঃ ষোল হাজার বার পরীক্ষিত নিউট্রিনো কণার গতি আলোর গতির চাইতে অন্ততঃ ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বেশি হওয়ার প্রমাণকে স্বীকৃতি দেন নি স্টিফেন হকিংসহ খ্যাতনামা বিজ্ঞানীরা। বরং সার্ণকে তার দাবী পরিত্যাগের অআহ্বান জানান বিজ্ঞানীরা। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সার্ণ যান্ত্রিক তারের ত্রুটির কারণে নিউট্রিনো কণার গতি আলোর গতির চাইতে অন্ততঃ ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বেশি দেখাচ্ছিল মর্মে সংশোধনী পেশ করে।

 নিউট্রিনো কণার গতি আলোর গতির চাইতে বেশি হওয়া যে কারণে আপত্তিকর


প্রথমতঃ বস্তু কণা যত দ্রুত গতি লাভ করবে তত ভারী হয়ে উঠবে, তাই বস্ত্ত কণা আলোর গতির উর্ধ্বে চলা অসম্ভব-আইনস্টাইনের এই 

বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ভেঙে পড়ার আশংকা যে তত্ত্বের উপর ভিত্তিশীল “মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি”।


দ্বিতীয়তঃ তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের সব সূ্ত্র ভেঙে পড়ার আশং‌কা। যার ফলে নতুন করে পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র আবিস্কার এবং নতুন করে

তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের পাঠ্য বই (Text Book) রচনার মত ঝামেলা সৃষ্টির আশংকা। 


তৃতীয়তঃ বর্তমানে প্রচলিত তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের সব ডিজিটাল সূ্ত্র এনালগে পরিণত হওয়ার আশংকা 


চতুর্থতঃ স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি-কে এনালগে পরিণত হয়ে যাদুঘরে স্থান লাভের আশংকা ইত্যাদি।


উপরোক্ত কারণে সংরক্ষণবাদ অবলম্বন ব্যতিত বিজ্ঞানের আপাততঃ গত্যন্তর নেই। ফলে সায়েন্স ফিকশনিস্টদের স্বপ্নিল ওয়ার্মহোল, র‍্যাপ

ড্রাইভ প্রযু্ক্তি বিশেষ আপেক্ষিকতা ভিত্তিক “মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি”এর আওতায় এ ব আপাততঃ নিষিদ্ধ

প্রযুক্তিই বলা চলে।  


উল্লেখ্য, নিউট্রিনোর গতি সেকেন্ডে এক লাখ ছিয়াশি হাজার মাইলের নিম্নে। সার্ণ কর্তৃক সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কম্পন সৃষ্টি করে

বিলিয়ন বিলিয়ন প্রোটন যে গতিতে পরস্পর সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে হিগস বোসন কৃত্রিম কণার উদ্ভব ঘটায় সেই প্রোটনের গতিও ছিল নিয়ন্ত্রিত

অর্থাৎ বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের অধীন অর্থাৎ  সেকেন্ডে এক লাখ ছিয়াশি হাজার মাইলের নিম্নে। ভবিষ্যতেও এই গতির ব্যতিক্রম

ঘটনার সম্ভাবনা অদূর ভবিষ্যতে নেই বল্লেই চলে। তাহলে সায়েন্স ফিকশনিস্টদের স্বপ্নিল ওয়ার্মহোল, র‍্যাপ ড্রাইভ প্রযু্ক্তি কী স্বপ্নই থেকে

যাবে? কোনো সন্মানজনক আপোস-মীমাংসার সম্ভাবনা নেই? চিরকালই কী মহাবিশ্ব তত্ত্ব  বিশেষ আপেক্ষিকতার ফ্রেমে আবদ্ধ থাকবে?


সার্ণ কর্তৃক যথেষ্ট ঝুকি নিয়ে অপেরা প্রজেক্টের আওতায় ষোল হাজার বারের পরীক্ষিত-প্রমাণিত নিউট্রিনোর মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ডের

অগ্রগামীতা গ্রহণযোগ্য পাওয়া যায়নি তা কী চিরকালের জন্য? 

আমরা CIRNN কর্তৃক পারি না ইনশাআল্লাহ সায়েন্স ফিকশনিস্ট তথা বিশ্বের বিজ্ঞান মনস্কদের মনে আশার আলো জাগাতে? পারি না এম সি স্কয়ার এর মর্যাদাকর অবস্থান নির্ধারণ করে স্ট্যান্ডার্ড মডেলকে বহাল রেখে আলোর গতি ছাড়িয়ে র‍্যাপ ড্রাইভ, ওয়ার্ম হোল-কে বাস্তব রূপ দিয়ে মুহুর্তের মধ্যে মহাবিশ্বের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত মনের সুখে ঘুরে বেড়াতে? এ ক্ষেত্রে অআলোর গতি ছাড়িয়ে গেলে অবশ্য পৃথিবীর বুকে দারুন অআলোড়ন সৃষ্টি হবে যা সায়েন্স ফিকশনিস্ট বা মহাকাশ ভ্রমণকারীদের জন্য সুখকর সংবাদ বয়ে আনবে না-হয়তো স্টিফেন হকিং চেতনাস্মাত পদার্থ বিজ্ঞানীদের তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হবে। দাবী উঠতে পারে র‍্যাপ ড্রাইভ, ওয়ার্ম হোল প্রযুক্তি বাতিল করো, করতে হবে ইত্যাদি। যেমন ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে যখন নিউট্রিনো কণার অআলোর গতির মাত্র  ৬ ন্যানো সেকেন্ড বাড়তি গতি সার্ণের অপেরা প্রজেক্টের অধীনে এক গবেষণায় একাধিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হলে স্টিফেন হকিংসহ বিশ্বের খ্যাতনামা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানীরা একযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গবেষণা প্রধানকে নোবেল পুরস্কারের পরিবর্তে তিরস্কার সেই সাথে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় গবেষণা টীমের প্রধান পদ থেকে। কারণ আর কিছু নয়, উপরোক্ত প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বিক উদ্ভূত সমস্যার আশংকা। 

CIRNN মনে করে উদ্ভূত সমস্যা স্রেফ তাত্ত্বিক, অনেকটা বাস্তবিক নয়। যার ফলে যে সব সমস্যা উদ্ভবের অআশংকা তা-ও বাস্তব সম্মত না-ও হতে পারে।

প্রথমতঃ বস্তু কণা যত দ্রুত গতি লাভ করবে তত ভারী হয়ে উঠবে, তাই বস্ত্ত কণা আলোর গতির উর্ধ্বে চলা অসম্ভব-আইনস্টাইনের এই 

বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, “মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি”সহ তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের সব সূ্ত্র ভেঙে পড়ার যে আশং‌কা তা নিম্নোক্ত কারণে অনেকটা অমূলক বিধায় নতুন করে পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র আবিস্কার এবং নতুন করে তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের পাঠ্য বই (Text Book) রচনার মত বিব্রতকর ঝামেলা সৃষ্টির আশংকা নেই বলে মনে করে CIRNN 


দ্বিতীয়তঃ  বর্তমানে প্রচলিত স্ট্যান্ডার্ড মডেলসহ  তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের সব ডিজিটাল সূ্ত্র এনালগে পরিণত হয়ে যাদুঘরে স্থান লাভের যে যে  আশংকা  তা-ও অমূলক কারণঃ 

আলবার্ট আইনস্টাইনের  =mc2 মতেই আলোর ভগ্নাংশ (Fraction)সহ প্রকৃত গতি প্রতি সেকেন্ডে এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার দুই শত মাইলের কিছু বেশি। ভগ্নাংশ (Fraction) বাদে পূর্ণ সংখ্যায় (Round Figure) এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার মাইল। সাধারণতঃ  গাণিতিক সহজ হিসাবের জন্য গণিত বিশেষজ্ঞতা গণিতের পূর্ণ সংখ্যা ব্যবহারে উ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌ৎসাহবোধ করে থাকেন। Modern Cosmological Standard Model-ও গাণিতিক হিসাব সহজীকরণের উদ্দেশ্যে সেকেন্ডে আলোর মোট গতি  থেকে ২০০ সংখ্যাকে ভগ্নাংশ (Fraction) বাদ দেয়ায় E=mc2  মতে আলোর সাধারণ গতি সেকেন্ড দাড়ায় এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার মাইল।  

সুতরাং, এ018877newscience587133

 ক্ষেত্রে নিউট্রিনোর গতি প্রতি সেকেন্ডে মাত্র ৬০ ন্যানো সেকেন্ড বেড়ে এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার ষাট ন্যানো সেকেন্ড দাড়ালে Modern Cosmological Standard Modelসহ অন্যান্য হিসাবে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার কথা নয় মর্মে CIRNN মনে করে। 

বিকল্প প্রস্তাবঃ E=mc2 স্বীকৃত আলোর গতিকে গ্রীণ উইচমান সময়ের আদলে “Einsteinium Standard Light Force(ESLF) (আইনস্টাইনীয় স্ট্যান্ডার্ড লাইট ফোর্স) ঘোষণা। এতে কেবল আলোর গতি বাড়ার ঝামেলাই লাঘব হবে না; অধিকন্ত্ত অনিবার্য কারণে আলোর গতি কমলেও ঝামেলা হবার কথা নয় ইনশাআল্লাহ। উল্লেখ্য, বিশ্বের যে প্রান্তের সময়ের হেরফের যাই হোক না কেন, সব স্থানের একক সময় হচ্ছে  গ্রীণ উইচমান সময়। 

এ ক্ষেত্রে CIRNN মনে করে, আলো কোথাও বাধাগ্রস্থ না হলে কেবল প্রতি সেকেন্ডে এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার মাইল বেগে চলে, বাধা প্রাপ্ত হলে নয়। তাই মহাকাশে ব্ল্যাকহোল কিংবা ভারি বস্ত্তরূপে সূর্যের অবস্থানের কারণে দূর নক্ষত্র হতে আলো পৃথিবীতে বেকে আসার কারণে অতি ক্ষুদ্রাতি-ক্ষুদ্র, সূক্ষ্ণাতি সূক্ষ্ণ ন্যানো সেকেন্ড হলেও বেকে আসা আলোর গতি, সোজা পথে আসা আলোর গতির চাইতে  ন্যূনতম ন্যানো সেকেন্ড হলেও কম হওয়ারই কথা।    

2.     মহাবিশ্ব কী দিয়ে তৈরি কিংবা সৃষ্ট তা আজ পর্যন্ত কেউ না জানলেও মহাবিশ্ব কীভাবে তৈরি বা সৃষ্ট-সে ব্যাপারে বলা যায় একেবারে জানার পরম পর্যায়ে ইতিপূর্বেই পৌছে গেছে। কারণ, কসমোলজিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশনকে কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের ধাচে বা ধাপে ফেলে স্টিফেন হকিংরা মহাবিশ্বের অস্তিত্বের মূলে যে বিগ ব্যাংয়ের অস্তিত্ব খুজে পেয়েছেন তাতে কিভাবে স্তরে স্তরে বর্তমান পর্যায়ে উপনীত হয়েছে তার একটা ধারাবাহিক চিত্র স্ট্যান্ডার্ড মডেলে পাওয়া যায়। শুধু তা-ই নয়; অধিকন্ত্ত বিগ ব্যাংয়ের পূর্বাবস্থায় Highest Energetic Radiation নামে মহাবিশ্বের স্বরূপও জানা গেছে । এখন বাকী আছে এই প্রশ্ন যে,  Highest Energetic Radiation এর পূর্বে কি ছিল অথবা কে ছিলেন?

উল্লেখ্য, আধুনিক কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড থিওরি মতে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে বিগ ব্যাং নামে বড় ধরণের যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল তাতেই আজকের এই বিরাট-বিশাল মহাবিশ্বের উদ্ভব।

প্রশ্ন হচ্ছেঃ সেই রেডিয়েশনের মূল উৎস কী অথবা কে? স্টিফেন হকিং এর মতে মহাকর্ষ, কারো মতে প্রকৃতি।

এতে সংগত কারণে প্রশ্ন উঠেঃ মহাকর্ষ বা প্রকৃতির উৎসমূল কী? অবশ্য এ ধরণের প্রশ্ন নাকি অসীমের ইঙ্গিত করে বিজ্ঞানীদেরকে। অনেক বিজ্ঞানী সেই অসীমকে এড়িয়েই পরম সত্যে পৌছতে চান।এ কারণে, পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রের বাইরে সংঘটিত Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন সবকিছুকে টেলিপ্যাথি, অতিপ্রাকৃতিক, অলৌকিক, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে মন্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চান।

 পক্ষান্তরে কিছু বিজ্ঞানী পদার্থ বিজ্ঞানের সাধারণ সূত্রের বাইরে সংঘটিত Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন সবকিছুকে টেলিপ্যাথি, অতিপ্রাকৃতিক, অলৌকিক, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ভূতুড়ে, অদ্ভূতুড়ে বলে উড়িয়ে না দিয়ে প্রকৃত সত্য উদ্ধারে পক্ষপাতি।এ পরিপ্রেক্ষিতে গত বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে যুদ্ধ শেষে দেশে ফেরা সৈন্যদের মাঝে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হওয়ার রহস্য উদঘাটন করতে গিয়ে নতুন বিজ্ঞানের সন্ধান পান যার নাম দেয়া হয়েছিল ফ্রন্টিয়ার সায়েন্স। এ বিজ্ঞান সাধারণ বিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক সূত্রের বাইরের Transcendental Principle অর্থাৎ অলৌকিক বা মানুষের জ্ঞানে কুলায় না-এমন সবকিছুর রহস্য উদঘাটনে ভূমিকা রাখবে।

 CIRNN আশা করে, প্রস্তাবিত নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সে ব্যাখ্যা পাওয়া যেতে পারে, বিগ ব্যাং পূর্ববর্তী হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বাবস্থা সম্পর্কে। অর্থাৎ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মহাবিশ্বের স্বরূপ কি ছিল?এ প্রশ্নের সদুত্তর। শুধু তা-ই নয়, ইনশা আল্লাহ প্রস্তাবিত নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সে ব্যাখ্যা পাওয়া যেতে পারে, বিগ ব্যাং পূর্ববর্তী হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের পূর্বাবস্থা সম্পর্কে। অর্থাৎ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনের মহাবিশ্বের স্বরূপ কি ছিল?এ প্রশ্নের সদুত্তর। 

শুধু তা-ই নয়, প্রস্তাবিত নতুন বিজ্ঞান ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সে পাওয়া যেতে পারে, অজ্ঞাত ডার্ক এনার্জি, ডার্ক ম্যাটার, মহাকর্ষ, গ্র্যাভিটন, ব্ল্যাক হোলের ঘটনা দিগন্তের অভ্যন্তরীন অবস্থা সম্পর্কে অআধুনিক বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়ের ইনশা আল্লাহ সন্তোষজনক মীমাংসা। 

মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে এ লক্ষ্যে কাজ করছে  CIRNN 

 







Comments

Popular posts from this blog

যে জাতির রাজা-বাদশাহরা ছিলেন বিজ্ঞানী!

সেন্টার অব ইসলামিক রিসার্চ ফর নিউক্লিয়াস অ্যান্ড নিউরণ (CIRNN )

Update 8 Dec, 2023