হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন
Highest Energetic Radiation
উনিশশত....সালে মহাবিশ্বের প্রাপ্ত আদি বিকিরণ শক্তি ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশনের কম্পিউটার সিমুলেশনের উপর ভিত্তি করে রচিত মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, মহাবিশ্বের উদ্ভব হয়েছিল হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন বিস্ফোরণের মাধ্যমে যাকে বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ বলা হয়।
“সেই আদি মহাবিস্ফোরণের শক্তি থেকে মৌলিক কণা এবং প্রতি কণার সৃষ্টি হলো” (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠা ৩৭)।
আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ মতে, জমে থাকা শক্তি জমে থাকা বস্তুর মতই। অর্থাৎ এই সমীকরণমতে, জমাটবদ্ধ শক্তির নাম বস্তু-পদার্থ। বস্তুর ভর এবং ওজন উভয়টা শক্তির আরেক রূপ।
শুন্যে শক্তি বিরাজমান থাকা কোয়ান্টাম মেকানিকসে নতুন কথা নয়। শক্তির নিত্যতার সূত্রমতে শক্তিকে ভাঙা যায় না, বিলীন করে দেয়া যায় না।অবিনাশী।স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন হচ্ছে সকল শক্তির একক নাম। যেহেতু “প্রত্যেক বিষয় মূলে পৌছে” (ফারাবী আল আরাবী) সেহেতু মহাবিশ্বের বস্তুগত মূল বা বীজ হচ্ছে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন।
“সেই আদি মহাবিস্ফোরণের শক্তি থেকে মৌলি কণা এবং প্রতি কণার সৃষ্টি হলো। পদার্থ বিদ্যার আইন মেনে এই কণাগুলো জুটি বাধল। তৈরি হলো প্রোটন, নিউট্রন জাতীয় কণা। তারপর তৈরি হলো অণু-পরমাণু। এদের অবিরাম সংঘর্ষ থেকে তৈরি হলো গ্যালাক্সি, তারা, গ্রহ” (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠাঃ ৩৭)।
“প্রকৃতিতে এত এত কণা। এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না” (বিজ্ঞানচিন্তা)
“মহাবিশ্বের জন্মের পর পরই কোনো কণার জন্ম হয়নি। এমনকি প্রকৃতির যে চার বল-মহাকর্ষ, বিদ্যুৎ চুম্বক, সবল ও দূর্বল বল-এগুলোর আলাদা কোনো অস্তিত্ব ছিল না” (বিজ্ঞানচিন্তা, পৃষ্ঠা ৪৫)।
অর্থাৎ সকল মৌলিক কণাসহ প্রকৃতির চার বলও হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে একীভূত ছিল।যদি প্রশ্ন করা হয় হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন উৎসমূল বা বীজ কী? পদার্থ বিজ্ঞানে এ ধরণের প্রশ্নও নেই উত্তরও নেই।বরং এই বিজ্ঞানে বলা হয়েছে যে, এই বিশ্বে এমন প্রশ্নও রয়েছে যার উত্তর এই বিশ্বে পাওয়া যাওয়ার কথা নয়।যেমন মহাবিশ্বের শেষ কোথায়? কিংবা উত্তর মেরুর উত্তরে কী আছে? কিংবা ব্ল্যাক হোলের অভ্যন্তের কী ঘটে ইত্যাদি। তাছাড়া প্রকৃতিতে এতো এতো কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানেনা (বিজ্ঞানচিন্তা)।এতে প্রতীয়মান হয় যে, পদার্থ বিজ্ঞানের গবেষণার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় বস্তু-পদার্থ তথা মহাবিশ্বের কীভাবে উদ্ভব? কি দিয়ে তৈরি? এ প্রশ্ন নয়।
তবে সির্ণ মনে করে উত্তম প্রশ্ন হতে পারেঃ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে কী কী আছে?-যা খতিয়ে দেখা।
“মহাবিশ্বের জন্মের পর পরই কোনো কণার জন্ম হয়নি।এমনকি প্রকৃতির যে চার বল-মহাকর্ষ, বিদ্যুৎ চুম্বক, সবল ও দূর্বল বল-এগুলোর আলাদা কোনো অস্তিত্ব ছিল না” এতে প্রতীয়মান হয় যে, বিগ ব্যাং এর পূর্বে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে চার বল-মহাকর্ষ, বিদ্যুৎ চুম্বক, সবল ও দূর্বল বল একীভূত অবস্থায় ছিল। বর্তমানে যে ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটার তা-ও হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে ছিল।তাছাড়া ফোটন গামা রশ্মি, মহাকর্ষ তরঙ্গ, কসমিক রে, এক্স-রে আলফা, বেটা, গাম রশ্মিও একীভূত ছিল।বস্তুকণারা ফোটন কিংবা তরঙ্গের আকারে নিহিত ছিল যা হিগস ফিল্ডের সংস্পর্শে এসে বস্তকণার রূপ লাভ করে গ্রহ নক্ষত্র রূপে আত্ম প্রকাশ করে।অবশ্য মহাবিস্ফোরণ পরবর্তী একাধিক মৌলের যৌগিক মিশ্রন কিংবা পর্যায় সারণিকভাবে রাসায়নিক উপায় কিংবা যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন নতুন অমৌল বস্তুর উদ্ভব ঘটে। হিগস থেকে উদ্ভব হয় নানান ধরণের কণা পদার্থ।
১. মহাকর্ষঃ
২. বিদ্যুৎ চুম্বক বলঃ,
৩. সবল নিউক্লিয় বলঃ
৪. দূর্বল নিউক্লিয় বলঃ
৫. কসমিক রে, এক্স-রে আলফা, বেটা, গাম রশ্মি ইত্যাদি।
Allah, almighty is the Greatest Creator of Universe
٢٣- هُوَ اللَّـهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ ۖ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ ۚ يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ◯
24. He is God, the Creator, The Evolver, The Bestower of Forms (Or Colors). To Him belong The Most Beautiful Names : Whatever is in The Skies and on earth, Doth declare His Praises and Glory : And He is the Exalted In Might, the Wise. ◯
Sūra 59: Hashr, or The Gathering (or Banishment),https://quranyusufali.com/59
Indeed, the power and Knowledge are collectively based of Universe
١٢- اللَّـهُ الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ وَمِنَ الْأَرْضِ مِثْلَهُنَّ يَتَنَزَّلُ الْأَمْرُ بَيْنَهُنَّ لِتَعْلَمُوا أَنَّ اللَّـهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ وَأَنَّ اللَّـهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا ◯
12. God is He Who Created seven Firmaments And of the earth A similar number. Through the midst Of them (all) descends His Command : that ye may Know that God has power Over all things, and that God comprehends all things In (His) Knowledge. (https://quranyusufali.com/65/)
Indeed, Allah, almighty is the Super Supreme Highest Power
Allah, almighty is Noor (Light), one of 99 Ismi Sifats (name of quality)
٣٥- اللَّـهُ نُورُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ مَثَلُ نُورِهِ كَمِشْكَاةٍ فِيهَا مِصْبَاحٌ الْمِصْبَاحُ فِي زُجَاجَةٍ الزُّجَاجَةُ كَأَنَّهَا كَوْكَبٌ دُرِّيٌّ يُوقَدُ مِنْ شَجَرَةٍ مُبَارَكَةٍ زَيْتُونَةٍ لَا شَرْقِيَّةٍ وَلَا غَرْبِيَّةٍ يَكَادُ زَيْتُهَا يُضِيءُ وَلَوْ لَمْ تَمْسَسْهُ نَارٌ نُورٌ عَلَىٰ نُورٍ يَهْدِي اللَّـهُ لِنُورِهِ مَنْ يَشَاءُ وَيَضْرِبُ اللَّـهُ الْأَمْثَالَ لِلنَّاسِ وَاللَّـهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ ◯
God is the Light Of the heavens and the earth. The parable of His Light Is as if there were a Niche And within it a Lamp : The Lamp enclosed in Glass : The glass as it were A brilliant star : Lit from a blessed Tree, An Olive, neither of the East Nor of the West, Whose Oil is well-nigh Luminous, Though fire scarce touched it : Light upon Light ! God doth guide Whom He will To His Light : God doth set forth Parables For men : and God Doth know all things. Sūra 24: Nūr, or Light,Verses 64 —Ayat: 35 Madani ; Revealed at Medina — Sections 9, https://quranyusufali.com/24/
Comments
Post a Comment